loading...

এই ভিডিও দেখার পরে আর বাজারে গিয়ে তাজা শাকসবজি কেনার সাহস পাবেন না !

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...

অনেক সময়েই বেঁচে যাওয়া বাসি সবজি ফিরিয়ে আনতে হয় বাড়িতে। কিন্তু পরের দিন বাসি সবজি কেউ কিনবে না। তাই বাসি সবজির উপর লাগানো হয় একটি বিশেষ স্প্রে।

বাজারে শাকসবজি কিনতে গেলে নিশ্চয়ই তাজা শাকসবজিরই খোঁজ করেন। সেটাই স্বাভাবিক। তাজা সবজি শুধু সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থ্যকরও। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি, তাজা শাকসবজি কি সত্যিই তাজা?

সম্প্রতি এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছিল ‘১০১ ইন্ডিয়া’ নামের একটি সংস্থা। তারা উত্তরপ্রদেশের এক সবজি ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসা করেছিল, কীভাবে প্রত্যেকদিন তিনি একেবারে টাটকা সবজি বাজারে নিয়ে যেতে সক্ষম হন? তবে কি প্রতিদিনের সবজি দিনের দিন বিক্রি হয়ে যায়! ওই ব্যবসায়ী অত্যন্ত স্বাভাবিক গলায় জানান, অনেক সময়েই বেঁচে যাওয়া বাসি সবজি ফিরিয়ে আনতে হয় বাড়িতে। কিন্তু পরের দিন বাসি সবজি কেউ কিনবে না। তাই বাসি সবজির উপর লাগানো হয় একটি বিশেষ স্প্রে। তাতে বাসি সবজি আবার তরতাজা সবজির মতো দেখতে হয়ে ওঠে।
শুধু তাই নয়, সবুজ শাকসবজিকে সবুজতর করে তুলতে ব্যবহার করা হয় বিশেষ ধরনের রং-ও। বিনস, পটল, ঢেঁড়শ-এর মতো সবুজ সবজিতে অক্লেশে ব্যবহার করা হয় এই ধরনের রং। এমনকি বেশ কিছু সবজিতে ব্যবহার করা হয় একধরনের রাসায়নিক ইঞ্জেকশন। এর প্রভাবে যে সবজি বড় হওয়ার কথা সাত দিনে, সেটা রাতারাতি পরিণতি পেয়ে যায়।

কিন্তু কী ধরনের রাসায়নিক প্রয়োগ হয় এইসব সবজিতে?  সিলিকন স্প্রে প্রয়োগ হয় শাকসবজিকে তাজা করার জন্য। ম্যালাচাইট গ্রিন দিয়ে সবুজ করা হয় সবজি। কিন্তু আদপে এই রং ব্যবহার করা হয় জামাকাপড় রং করার কাজে। লিভার ও কিডনির পক্ষে এই রং অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যে রাসায়নিক প্রয়োগ হয় সবজিকে রাতারাতি বড় করে তুলতে, তা-ও মানবশরীরের পক্ষে যথেষ্ট হানিকারক।

loading...

সেটা কি ওই কৃষক জানেন না? অবশ্যই জানেন। তাঁর সহজ যুক্তি, অতিরিক্ত লাভের জন্যই এই পথ বেছে নিতে হয়েছে তাঁকে।

যেটা সবচেয়ে ভয়ের সেটা হল এই তথ্য যে, এমনটা একা এই সবজি ব্যবসায়ী করছেন না। তিনি নিজেই আত্মপক্ষ সমর্থনের ভঙ্গিতে জানালেন, এমনটা সকলেই করে থাকে।

সেক্ষেত্রে প্রশ্ন এটাই যে, সরকার তাহলে চুপ করে রয়েছে কেন? কেন সবজির নামে এই বিষ পরিবেশনের অসাধু কৌশলকে বন্ধ করার উদ্যোগ নিচ্ছে না? সব প্রশ্নেরই উত্তর নিহিত ভবিষ্যতের গর্ভে।
আপাতত আপনাদের সামনে রইল সেই ভীতিপ্রদ ভিডিও—

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*