বিয়ের কথা জানার পর প্রেমিক আমার সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করে…

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...

আমার বয়স ২৩ বছর। আজ পাঁচবছর যাবত একজনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। সে নিজেই দুই-তিনমাস আগে আমার পরিবারকে কথা দিয়েছিল যে সে আমাকে বিয়ে করবে, তাই বাহিরের কোনো প্রস্তাব যেন আমার পরিবার না নেয়। তখন সে চিটাগাং কোর্টে প্র্যাকটিস করতো- আইনবিদের ছাত্র হিসেবে। তা স্বত্বেও আমার বাড়ির লোক ভালো একটি প্রস্তাব পেয়ে আমাকে ওখানে বিয়ে দিয়ে দিতে চেয়েছিল। কারণ আমার প্রেমিক কথা দিলেও, কথার উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারছিল না।

আমার বিয়ের কথা জানার পর আমার প্রেমিক আমার সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করে। তারপর সে নিজেই আমার কাছে ক্ষমা চায়; বলে- আমি যাতে অন্য কাউকে বিয়ে করতে না পারি, তাই সে এই কাজটি করেছে। কিন্তু এখন সে নিজেই আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাইছে না। আমার আর আমার পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা করতে চাইছে। কিন্তু আমি প্রতারিত হতে চাই না। আমি এখন বুঝতে পারছি না যে কী করব? কোন ধরনের ব্যবস্থা নিলে আমি সফল হব? আমার কী করা উচিত? আমার কাছে ওর কল রেকর্ড আর কিছু ছবি আছে। আমার আর ওর একসঙ্গে ছবি। আমার কী করণীয়? কী করলে আমি ওকে পাব? অনুগ্রহ করে পরার্মশ দিন।

 

সত্য কথা বলি আপু, কিছু করলেই প্রেমিককে আপনি আর ফিরে পাবেন না। নানান প্রমাণ দিয়ে ব্ল্যাক মেইল করে তাঁকে জোর করে বিয়ে হয়তো করতে পারবেন, কিন্তু সেটাকে কি পাওয়া বলে? কেউ যদি কাউকে ভালবাসতে না চায়, তাহলে কি জোর করে ভালোবাসা পাওয়া যায়? প্লাস, একটা মানুষকে জোর করে বিয়ে করার পর আপনি কি কখনো তাঁর সাথে সুখী থাকতে পারবেন?

দেখুন আপু, আপনি যথেষ্ট বড় হয়েছে। পরিবার বিয়ের কথা ভাবছেন মানে প্রাপ্ত বয়স্কাও হয়েছে। প্রেমিক কীভাবে “জোর করে” শারীরিক সম্পর্ক করে আপনার সাথে? ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর খাটিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করাকে ধর্ষণ বলে। যদি প্রেমিক আপনার সাথে সেটাই করে থাকে, তাহলে একজন ধর্ষকের স্ত্রী কেন হতে চাইছেন আপনি? আর যদি প্রেমিক সেটা না করে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেটায় আপনারও সম্মতি ছিল। তাই আগে নিজেই ঠিক করুন আপু যে আসলে কোনটা ঠিক!

দেখুন আপু, আমার নীতি এটাই বলে যে জোর করে এই লোককে বিয়ে করলে আপনি কখনোই খুশি থাকবেন না। অন্যদিকে ছেলেটি যে আপনাকে ভালবাসে না, সেটাও হয়তো নয়। ৫ বছর সম্পর্ক রাখা, পরিবারকে বিয়ের কথা দেয়া… ইত্যাদি সবই প্রমাণ করে সম্পর্কটি নিয়ে সে সিরিয়াস ছিল। তাহলে কী এমন হলো যে এখন আর সম্পর্ক রাখতে চাইছেন না? আপনার কোন আচরনে কি কষ্ট পেয়েছেন বা রাগ করেছেন? হতেই পারে সেটা। তাই আগে কারণটি খুঁজে বের করুন ও সেটার সমধান করুন। কোন কারণ ছাড়া নারী পুরুষ কেউই ৫ বছরের একটা সম্পর্ক ভেঙে ফেলতে চাইবেন না। অনেক সময় আমরা নিজের ভুলটি বুঝতে পারি না। সম্পর্কটি ধরে রাখার একটাই উপায়, আপনাদের মাঝের মনোমালিন্যের কারণটি খুঁজে বের করে মীমাংসা করুন।

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*