মঈন আলী তো বাংলাদেশেরই জামাই! জেনে নিন জানলে অবাক হয়ে যাবেন !

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...

ইংল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের পক্ষে যে কজন ইংলিশ ক্রিকেটার সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন, মঈন আলী তাঁদের একজন। বাংলাদেশে সব সময় কেমন আতিথেয়তা পেয়েছেন, এখানকার মানুষ কতটা অতিথি পরায়ণ, সতীর্থ ও সমর্থকদের সেই গল্প শুনিয়েছেন বারবার। বাংলাদেশে যে অনেক বন্ধু আছে, সে কথা জানাতেও ভোলেননি। আর এখন তো জানা গেল শুধু বন্ধু নয়, মঈন আত্মীয়তার সূত্রেই বাংলাদেশের সঙ্গে বাঁধা। তিনি যে বাংলাদেশের জামাই!

মঈন আলীর স্ত্রী ফিরোজা হোসেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। জন্ম-বেড়ে ওঠা দুটিই ইংল্যান্ডে হলেও তাঁর বাপের বাড়ি সিলেটে। এক সময় সিলেট শহরের পীর মহল্লা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন ফিরোজার বাবা এম হোসেন ও তাঁর স্ত্রী। এরপর সপরিবারে ইংল্যান্ডে থিতু হন। সেখানেই জন্ম ফিরোজার। মঈনের সঙ্গে পরিচয়, বন্ধুত্ব। এরপর বিয়ে। তাঁদের ফুটফুটে ছোট্ট একটা ছেলেও আছে। নাম আবু বকর।
বাবা-মায়ের সঙ্গে ফিরোজা এর আগেও বাংলাদেশে এসেছেন। বিয়ের পর মঈনের সঙ্গেও বাংলাদেশে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। ইংল্যান্ড দলের বাংলাদেশ সফরের সুযোগে এলেন এবারও। গত বুধবার ইংল্যান্ডের আরেক ক্রিকেটার আদিল রশিদের পাকিস্তান বংশোদ্ভূত স্ত্রীর সঙ্গে ফিরোজা বাংলাদেশে আসেন। বর্তমানে দুজনই ক্রিকেটার স্বামীদের সঙ্গে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। আদিল রশিদের স্ত্রী টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা দেখতে মাঠেও এলেন।
বাবা-মা এবং ফিরোজার তিন ভাই, দুই বোনও এখন ইংল্যান্ডের বাসিন্দা। এবারের সফরে সিলেটে না গেলেও আসার আগে সিলেটের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন মঈনের স্ত্রী। বাংলাদেশে আসার পরও ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন কারও কারও সঙ্গে। সেরকমই এক নিকটাত্মীয় কাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করলেন, ‘সিলেটের পীর মহল্লায় ফিরোজাদের বাড়ি। ওর বাবা-মা একসময় সেখানেই থাকতেন। পরে তারা ইংল্যান্ডে চলে গেলেও ফিরোজার বাবা নিয়মিত দেশে আসেন এবং পীর মহল্লার বাড়িতেই ওঠেন। অন্য সময় বাড়িটায় কেউ থাকে না। বাড়িটা দেখাশোনার জন্য একজন তত্ত্বাবধায়ক আছেন।’
রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে ফিরোজা সংবাদমাধ্যম থেকে একটু দূরেই থাকতে চান। তবে কাল প্রথম আলোর অনুরোধে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আত্মীয় মঈনের স্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে আসার পর গত দুই দিনের অভিজ্ঞতা জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে ফিরোজার কণ্ঠে উচ্ছ্বাসই খুঁজে পেয়েছেন তিনি, ‘ফিরোজা বলেছেন বাংলাদেশে এসে তাঁর খুবই ভালো লাগছে। সবাইকে আপন মনে হচ্ছে। বিমানবন্দরে ইংল্যান্ড দলের কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান। বাংলাদেশের নিরাপত্তা এবং আতিথেয়তায় তিনি খুশি।’
এই টেস্টে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে সবচেয়ে ভুগিয়েছেন বাংলাদেশের জামাই-ই। ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেছেন। আজ লাঞ্চের আগে এক ওভারে তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট।

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*